ভালবাসি প্রকৃতি

ভালবাসি প্রকৃতি

Saturday, September 30, 2017

কথা

কথার মালা গা‌থি আ‌মি
ভাবের সু‌তো দি‌য়ে
গাথ‌তে গি‌য়ে দে‌খি আমার
কথা যায় ফু‌রি‌য়ে।

দুঃখ, সুখ, প্রেম, বিরহ
আনন্দ, ভা‌লোবাসা
প্রকৃ‌তি, মানুষ, পশু, পা‌খি
আশা আর হতাশা।

কথা দি‌য়ে প্রকাশ পায় যে
ম‌নের দুঃখ ভাব
কথায় কথায় ভে‌ষে উ‌ঠে
কার কি‌সের অভাব।

কথা হ‌লো জীব‌নের আয়না
সব দেখা যায় তা‌তে
দুঃখ, সুখ যায় যে ধরা
কথারই আয়না‌তে।

কথার অ‌নেক শ‌ক্তি আ‌ছে
কথার আ‌ছে বল
কথার গাছ‌টি ভা‌লো হ‌লে
ফ‌লে ভাল ফল।

সকল কথা ফু‌রি‌য়ে গে‌লে
কই জীব‌নের কথা
ভাবের সু‌তোয় গা‌থি তখন
‌প্রেম বির‌হ গাথা।

Thursday, September 28, 2017

ইচ্ছে


ইচ্ছে করে আকাশে উড়ি
দেখি, নেই যে ডানা
মনের পাখা মেলে দিলে
উড়তে তো নেই মানা।
ডানার জোরে যায় না উড়া
উড়ে মনের জোরে
পাহারও ভেঙ্গে গুড়িয়ে যায়
প্রবল মনের তোরে।

ইচ্ছেতেই উপায় হয়
আলসেমীতে হয় অনিচ্ছা
সময়ের কাজ সময়ে কর
শুনেছি কত কিচ্ছা!
ভাল কাজে মন দাও
মন্দ হতে দূরে
ভালো কথা গুণিজনে
শুধায় একই সুরে।

থাকলে মনে সৎ চিন্তা
সাফল্য আসে হাতে
সময়ের কাজ সময়ে করলে
সবই হয় সাথে সাথে।
ইচ্ছেটাকে লাগাও কাজে
কোরো না হেলা ফেলা
সেময়টাকে কাজে লাগাও
ডুবার আগে বেলা।

খন্ড খন্ড 3


১।
আমি হবো দেবদাস
হবে তুমি পারু?
পারবে না হতে তাই
ছারি না যে দারু।
২।
লাইলি এসেছে
মজনু আখি খোল
বাসন মাজা শেষ
ঘর ঝাডুর সময় হলো।
৩।
প্রেমের মরা
ডোবে না জলে
ডোবে ঠিকই
পচা শেষ হলে!
৪।
ভালোবাসার সময়
কোন দিকে চায় না
অন্ধের মত বাসে তাই
চোখ খুলে আর পায় না!
৫।
স্বর্গ থেকে আসে প্রেম
স্বর্গে যায় চলে
দুজনে পুড়ি দোজখে
বিচ্ছেদ হলে।

শারদীয়

শী‌তের আগমনী, ভোর রা‌তে শীর শীর ধ্বণী
গ্রী‌ষ্মের বিদ‌ায়, প্রচন্ড গর‌মে প্রাণ যায় যায়।
রীতুর আসা~যাওয়া, খাই অসু‌খের ধাওয়া
ভূগী ঠান্ডা~জ্ব‌রে, এই ম‌রে সেই ম‌রে
‌ছোয়া‌চের মত ক‌রে, ঘ‌রের সবাই‌কে ধ‌রে
‌ছোটাছু‌টি দিক‌বি‌দিক, সাত দি‌নে হ‌বে ঠিক।

এত কিছুরও প‌রে
রু‌পের ‌যে আভা ঝ‌রে
বালুর মাঠ, নদীর পাড়
‌বিস্তীর্ণ কাশব‌নের ঝাড়
সাদা ফু‌লে মে‌ঘের রুপ
ই‌চ্ছে ক‌রে দেই যে ডুব
শারদীয় আব‌হ
রুপ যে ভয়াবহ
জুড়ায় আমার প্রাণ
কে‌টে যায় বিরহ।
দূর থে‌কে কাশবন ঘন দে‌খি কত
এর মা‌ঝে ফাকা আ‌ছে হৃদ‌য়েরই মত
‌রোদ শু‌ষে রেশ‌মি হ‌য়ে‌ছে যে ফুল
হঠাৎ বাতা‌শে সে‌ যে হারায় এ কুল
নানা রু‌পে প্রকৃ‌তি, আ‌সে না‌কো নি‌তে
রুপ, রস, গন্ধ, আসে সে‌ যে দি‌তে।
প্রকৃ‌তির মত ক‌রে ভা‌লোবা‌সে কে?
আর কেউ নয়, তুমিই‌তো সে।

খন্ড খন্ড 2

১।
আমি যখন হই কৃষ্ণ
তুমি হও রাধা
প্রয়োজন ফুরালেই বলো
এবার যা গাধা!
২।
আমি হই খাঁচা
তুমি হও পাখি
আমি চোখ বুজলেই
তুমি দাও ফাঁকি।
৩।
আমি হই পানি
তুমি ভাষাও নাও
প্রেম সাগ‌রে পাল তু‌লে
‌ছে‌রে কোথায় যাও?
৪।
মন চায় ভালোবাসা
মুখ ফুটে চাই না
প্রয়োজনে চেয়ে নাও
আমায় কেন দাও না?
৫।
আমার কাছে তুই দামী
তোর কাছে আমি ফেলনা
আমার কাছে হীরা তুই
তোর কাছে আমি খেলনা।
৬।
এত ভালোবাসি
তুই চাসনা বুঝিতে
তুই চাইলে পাস
আমার জনম যায় খুজিতে।
৭।
আমার প্রেম গভীর
তোর প্রেম হালকা
আমার প্রেম শক্ত
তোর প্রেম পলকা।
৮।
নিতে নিতে সব নিলি
দিলি না তুই কিছু
বেহায়া মনটা তবু
ঘোরে তোর পিছু!
৯।
আমার মনটা সরল
প্যাচ তোর মনে
শান্তি পেলাম না আমি
জীবনে তোর সনে।
১০।
হৃদয়টা ভাঙ্গে তবু
আছি গড়ার আশায়
একদিন বাড়াবি হাত
ডুবিনা হতাশায়।

Tuesday, September 26, 2017

ঋণী

২৬/০৯/২০১৭

দিনে দিনে তোমার কাছে, হচ্ছি আমি ঋণী
জীবন দিয়ে ইচ্ছে করে, ভালোবাসা কিনি
ইচ্ছে করে সব কিছু দেই, আমি উজার করে
বিলিয়ে দেই নিঃস্বার্থে, সবই তোমায় ঘিরে।

নিতে নিতে ঋণের দায়ে, নাক অবধি ডোবা
দিচ্ছ তুমি তোমার অঢেল, আছে হয়তোবা
জানিনা আমি কতটা আছে, কতটা দিলে তুমি
ঋণের জন্য চাইলে নাতো, বন্ধক কোন ভূমি।

পেতে পেতে তোমার কাছে, চাহিদা গেছে বেড়ে
ফিরত তুমি চাইছো নাযে, নিচ্ছও না কেড়ে
কখনো তুমি বললে না যে, থামাও এবার নেয়া
আস্তে আস্তে ভারটা কমাও, শুরু কর দেয়া।

এক জীবনে কতটা ভালো, বাসতে পারো তুমি?
মাথায় আমার ধরে না যে, চিন্তা করি আমি!
ভালোবাসা পেতে পেতে নিজেকে, লাগছে ভীষণ ঋণী
মাঝে মাঝে চিন্তা করি, সত্যি কি তোমায় চিনি?

তোমায় চিনতে এই জনমে, পারবো নাকো আমি
তুমি আমার সোনার ময়না, হীরার চেয়ে দামী
ঋণ কভু হবে না শোধ, করে জীবন বেচা-কিনি
এই জীবনে তোমার কাছে, থেকেই গেলাম ঋণী।

,খন্ড খন্ড

১।
তুই আমার হীরা চান্দি
তুই গম-ধান
তুই আমার ভালোবাসা
তুই-ই আমার প্রাণ।

২।
বুকের ভিতর আগুন
ধিকি ধিকি জ্বলে
আমি বলি প্রেমে
তুই ভাবিস অম্বলে।

৩।
আমি বসে থাকি
তোর আশায় আশায়
ফাঁকি দিয়ে তুই
চলে যাস বাসায়!

৪।
ভালোবসি তোকে
বলি গলা ফাটিয়ে
তোর বাবা এসে গালে
চর মারে ঠাটিয়ে!

৫।
আমায় দিয়ে কথা
যাস আকাশের সাথে
সারা দিন ঘুরে
ফিরিস তুই রাতে!

৬।
ভালোবাসি তোকে
বলছি হাজার বার
বিশ্বাস করলে কর
বলবো না আর!

৭।
তোর নাম যতবার মনে
করেছি বির-বির
খোদার নাম নিলে
আমি হতাম আজ পীর!

৮।
এত কিছুর পরেও
হলোনা তোকে পাওয়
আমি আজ চোষা
তুই আজ খাওয়া!

৯।
প্রথম দেখায় প্রেমে
পড়ে গেলাম আমি
শেষ দেখায় হাতে বাচ্চা
অন্যে তোর স্বামী!

১০।
চলে গেলি তুই
ভালোবাসা ভুলে
মনটা রেখেছি আজো
তোর জন্য তুলে!

কর্মী

‌নেতার জন্য সব পা‌রি
রাখ‌তে বাজী জীবন
‌নেতার ত‌রে স‌পে দিলাম
আমার দেহ মন!

তার কথা‌তে মি‌ছিল ক‌রি
‌পি‌কে‌টিং, অব‌রোধ, হরতাল
তার কথা‌তে কর‌তে পা‌রি
র‌ক্তে ‌দি‌য়ে রাস্তা লাল।

তার কথা‌তে টেকনাফ থে‌কে
ইয়াবা আ‌নি ঢাকায়।
তার সাথে যে গা‌ড়ি‌তে চ‌লি
‌কেনা অ‌বৈধ টাকায়!

চাটুকা‌রি ক‌রি আ‌মি
সা‌থে থে‌কে সারা বেলা
অ‌ন্যের সা‌থে যুদ্ধ ক‌রি
‌খেল‌তে পা'চাটা খেলা।

পদটা নি‌তে, থাক‌তে টি‌কে
পুতু‌লের মত না‌চি
তার কথা‌তেই জীবন মরন
তার আশা‌তেই বাঁ‌চি!

মা‌ঝে মা‌ঝে ই‌চ্ছে ক‌রে
এসব কিছু ছে‌ড়ে
মুক্ত বাতাশ মা‌খি গা‌য়ে
উ‌ঠি
স্বাধীন ভা‌বে বেড়ে।

শারদীয়

শী‌তের আগমনী, ভোর রা‌তে শীর শীর ধ্বণী
গ্রী‌ষ্মের বিদ‌ায়, প্রচন্ড গর‌মে প্রাণ যায় যায়।
রীতুর আসা~যাওয়া, খাই অসু‌খের ধাওয়া
ভূগী ঠান্ডা~জ্ব‌রে, এই ম‌রে সেই ম‌রে
‌ছোয়া‌চের মত ক‌রে, ঘ‌রের সবাই‌কে ধ‌রে
‌ছোটাছু‌টি দিক‌বি‌দিক, সাত দি‌নে হ‌বে ঠিক।

এত কিছুরও প‌রে
রু‌পের ‌যে আভা ঝ‌রে
বালুর মাঠ, নদীর পাড়
‌বিস্তীর্ণ কাশব‌নের ঝাড়
সাদা ফু‌লে মে‌ঘের রুপ
ই‌চ্ছে ক‌রে দেই যে ডুব
শারদীয় আব‌হ
রুপ যে ভয়াবহ
জুড়ায় আমার প্রাণ
কে‌টে যায় বিরহ।

দূর থে‌কে কাশবন ঘন দে‌খি কত
এর মা‌ঝে ফাকা আ‌ছে হৃদ‌য়েরই মত
‌রোদ শু‌ষে রেশ‌মি হ‌য়ে‌ছে যে ফুল
হঠাৎ বাতা‌শে সে‌ যে হারায় এ কুল
নানা রু‌পে প্রকৃ‌তি, আ‌সে না‌কো নি‌তে
রুপ, রস, গন্ধ, আসে সে‌ যে দি‌তে।
প্রকৃ‌তির মত ক‌রে ভা‌লোবা‌সে কে?
আর কেউ নয়, তুমিই‌তো সে।

Monday, September 25, 2017

কান্না

সমুদ্র তী‌রে বিশালাকায় ঢেউ
আ‌স্রে প‌ড়ে শুনায় তার গর্জন
তী‌রের শেষ প্রান্তে এ‌সে
‌ঝির ঝির শ‌ব্দে নে‌মে যায় আবার
নামার বেলায় কি ত‌বে শুন‌তে পাই
‌ছে‌ড়ে যাওয়া ক‌ষ্টের চাপা কান্নার রোল?

কান্নার ভাষা আর আন‌ন্দের ভাষা
সারা দু‌নিয়ায় কি একই?
সুগন্ধা~কলাতলী কিংবা লাবনী বীচ
সাগর কন্যা কুয়াকাটা সুন্দরী বি‌চের
গর্জন~কান্না~‌বেদনার গানও একই সু‌র!

শত শত মাইল পা‌ড়ি দি‌য়ে ছু‌টে যাই দ‌রিয়ার তী‌রে
শুন‌তে তার গর্জন আন কান্নার রোল।
শ‌ব্দের সা‌থে মন মেলা‌লেই কেবল
শুন‌তে পা‌রি তার কান্না কি গর্জন ধ্ব‌ণি।