ভালবাসি প্রকৃতি

ভালবাসি প্রকৃতি

Thursday, December 21, 2017

সেরা সম্পদ...

শ্রমিক আমি, কৃষক আমি, আমি দিন মজুর
আমায় তোমরা ঘৃনা করো, করো যে দূর দূর!
সুযোগ পেলে দাও যে গালি, কামলা, গাধা বলে
আমাদেরই রক্ত তোমরা, চোষো সুযোগ পেলে
হার ভাঙ্গা খাটুনি করি, পেটের দায়েই পড়ে?
আমাদেরও আছে মা-বাপ, স্বজন ঘরে ঘরে
বাপ দাদারই পেশায় আছি, পেশা ভালোবেসে
কাজটা করি মনের টানে, করি খেলে-হেসে
রোদে পুরি, ভিজি বৃষ্টিতে, দুঃখ নাই তো মনে
চাকা সচল রাখতে চেষ্টা, করি যে প্রাণপনে
আমার শস্য খাওযে তুমি, আমারই প্যান্ট পড়ে
বিবি বাচ্চা নিয়ে সুখে, বাস করো যে ঘড়ে
কখনো কি দেখেছো ভেবে, আমার অবদান
তোমার একটু উপেক্ষাতে, হয়ে যাই যে ম্লান!
আমার রক্ত-ঘামের পন্যে, তোমার ভোগ-বিলাস
তোমায় সুখি রাখতে আমরা, হই কখনো লাশ
বিদ্যা বুদ্ধির অভাব আছে, হয়তো তোমার চেয়ে
তবুওতো হাত পাতি না, তোমাদের কাছে যেয়ে
দূর্নীতি কি, ঘুষ-উৎকোচ, নাইতো মোদের জানা
বাপ-দাদারা মন্দ কাজে, বলছে যেতে মানা
চেষ্টা করি তাদের শিক্ষা, মানতে হারে হারে
লজ্জা পাইনা তাইতো মোরা, বিজয় কিংবা হারে
শিক্ষা নিয়ে কি শিখিলে, হিংসা, ঘৃনা, লোভ?
তোমাদেরই কান্ড দেখে, জাগে মনে ক্ষোভ!
মানুষ ঠকাও কেমন শিক্ষা পেলে তুমি বলো?
তোমাদেরকে কেমন করে, মানুষ বলি বলো?
কারো আছে ক্ষমতার লোভ, কারো লোভ টাকার
আমার নেই কোনই লোভ, নেই কোন হাহাকার
জুয়েল বলে কৃষক, শ্রমিক, মজুর হলো যারা
আসল জ্ঞানী, দেশ প্রেমিক, সেরা সম্পদ তারা।

Wednesday, December 20, 2017

পাখিরে....

তুমিই আমার পরান পাখি
উড়ে গেলে, কেমনে রাখি?
বুকের ভিতর যতন করে
মনের ছোট্ট গোপন ঘরে
লালি পালি আদর করি
চোখের আড়াল হলেই মরি।
কথা বলো আমার সুরে
যাওনা ছেড়ে কভু দূরে
তুমি আমায় ভালোবাস
ডাকলে কাছে চলে আসো
বাঁধন যদি যাওগো কেটে
বুকটা আমার যাবে ফেটে
এত ভালো বাসার পরে
কেমনে যাবে আমায় ছেড়ে?
আমার আগে তোমায় কভু
যেতে যেন না দেয় প্রভু
তোমায় নিয়ে প্রভুর কাছে
আমার এক প্রার্থনা আছে
আমার আগে তোমায় তুলে
না নেয় যেন প্রভু ভুলে!
তোমায় ভালোবাসি কত
জানে প্রভু আমারই মত
জানার পরেও শিকল ছিড়ে
কেমনে নেবে তোমায় কেড়ে?
শিকল কাটা পাখি তুমি
সে কথাটা জানি আমি
তবুও কেন ভুলছি মায়ায়
বোঝে না এই মাটির কায়ায়
বেহায়া জুয়েলের এ মন
তোকেই চায় যে সারাক্ষণ।

Tuesday, December 19, 2017

এই মেয়ে

মেয়ে তোমার বাড়ি কোথায়, বলো কত দূর?
কি দিয়ে তৈরী তুমি, মাটি নাকি নূর?
এমন হাসি কোথায় পেলে, এমন ডাগর চোখ
তোমার দিকে তাকালে কেন, কেঁপে উঠে বুক
এমন কোমল রূপের ঝলক, কে গড়েছে তোমায়
তাকালে চোখ ফেরে না কেন, বলতে পারো আমায়
হাসলে তুমি ভূবন হাসে, গালে পড়ে টোল
রাগলেও তোমায় লাগে ভাল, গালটা তোমার গোল
ঠোটের কথা না’ইবা বলি, চোখের মায়ায় ভুলে
বাউল বাতাস খেলা করে, তোমারই রেশমি চুলে
জোড়া ভুরুর চাহনিতে আমার, হৃদয় নিলে কেড়ে
তোমায় পেলে দেবো আমি, সব কিছই ছেড়ে
নাকটা তোমার বাশের বাঁশি, এমন কারো আছে?
প্রকৃতি আজ ম্লান হয়েছে, তোমার রূপের কাছে
তোমার ভরা যৌবন যেন, ভরা গাঙ্গের পানি
যে দেখবে সেই একবার, ডুবতে চাইবে জানি
পরীর কথা শুনেছি অনেক, থাকে দূর আসমানে
পরীর চেয়েও সুন্দর, বলছি, চেয়ে তোমার পানে
মানবি নও আমার কাছে, তুমিই যেন হুর
পরীরা কাছে এলেও বলবো, যাও, দূর, দূর
যেমন তোমার রুপের বাহার, তেমন হাটা চলা
হৃদয়টা দিয়েছি দেখে, তোমার ছলা কলা
মায়াবী-ভূবন মোহিনী, তোমার রূপের জালে
রূপ দেখিয়ে এক মুহুর্তে, দিলে আমায় ফেলে
এমন রূপের আলোয় আমি, ডুবে যেতে চাই
নিশ্চিত হয়ে বলছি এমন, রূপসী ভবে নাই
বিবেক বলে, জুয়েলরে তুই রূপের মোহে পড়ে
জ্বলে পুরে ছারখার হবি, সারা জীবন ভরে।

Saturday, December 16, 2017

প্রশ্ন

বিজয় তোমার বয়স কত জান‌তে চাই‌লে তু‌মি
বল‌লে আমায়, একাত্ত‌রে ভূ‌মিষ্ঠ হই আ‌মি।
গু‌নে দেখ, পয়‌তা‌ল্লিশ বসন্ত পে‌রি‌য়ে গে‌ছি
‌ছিচ‌ল্লিশে পা দি‌য়ে‌ছি, এই‌তো বেশ আ‌ছি!
দীর্ঘ এ চলার প‌থে, দেশ চ‌লে‌ছে উ‌ল্টো র‌থে
‌হিংসা, ঘৃনা, ষড়যন্ত্র, সৈর শাসন, কভু বিপ‌থে
এর প‌রেও কথা আ‌ছে, নতুন পুরাতন প্রজন্ম
লালন পালন ক‌রে আমায়, সার্থক আমার জন্ম
যখন দে‌খি আমার নিশাণ, উ‌চি‌য়ে ধ‌রে রা‌খে
তখন আমার প্রাণটা বাঁ‌চে, ষড়য‌ন্ত্রের বা‌কে
‌তোমরা যখন মাথা উচু ক‌রো, বিশ্ব দরবা‌রে
‌তোমা‌দের বিজয় প্রচার পায় বিশ্ব দরবা‌রে
আ‌মি তখন স‌তেজ হই, গ‌র্বিত হই, আপ্লুত হই
রাজনী‌তির না‌মে যখন শুরু হয় নোংরা খেলা
আমার তখন সময় অ‌স্থির কা‌টে সারা বেলা
আমায় যারা জন্ম দি‌লো ত্যাগ, রক্ত, ঘা‌মে
তা‌দের ভু‌লে যাও যখন ক্ষমতারই না‌মে
তা‌দের হা‌তে দাও যখন বিজ‌য়ের পতাকা
হৃদটা যে খা‌লি হ‌য়ে যায়, লা‌গে ফাকা ফাকা
মা বো‌নে‌দের ইজ্জত নি‌য়ে খে‌লে‌ছি‌লো যারা
ক্ষমতার লো‌ভে পরম মিত্র হ‌তে পা‌রে তারা!
এর জন্যই আমার কি হ‌য়ে‌ছি‌লো জন্ম!
‌তোমা‌দের কা‌ছে এ প্রশ্ন থাক‌বে আজন্ম

Wednesday, December 13, 2017

১৪ ডি‌সেম্বর স্মর‌ণে

কোন ভাবেই পেরে উঠছিলে না তোমরা
চেষ্টা করেছিলে অনেক, সব পথ মাড়িয়েছো
কোন ভাবেই পেরে উঠছিলে না তোমরা
অর্থনৈতিক, সামাজিক, সামরিক, শাসন-শোষন
এযে এক অদম্য জাতি, দৃঢ় চেতা, শক্ত কঠিন মনোবল।
ভাষা কেড়ে নিতে গিয়ে প্রথম হোচট খেয়ে বুঝে গেলে
এভাবে হবেনা! তার পর নানা কৌশল, জড়ো করলে সেনা
গ্রামের পর গ্রাম উজার করলে পুড়িয়ে, ঘরের মা বোন
শিশু, বৃদ্ধা কাউকেই বাদ দিলে না, রাখতে চাইলে বিষাক্ত বীজ
তোমাদের পূর্ব পূরুষের জারজ সন্তানেরাও ছিলো পূর্ব থেকেই
তারাও বাড়িয়ে দিয়েছিলো তাদের কালো হাত, বিষাক্ত মগজ
কৃষকের-মজুরের ইস্পাত শক্ত হাত, শিক্ষক-ছাত্রের শাণিত মেধা
যখন এক হয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলো নিরস্ত্র হাতে তোমার সশস্ত্র
হায়েনাদের বিরুদ্ধে, রুখে দাড়িয়েছিলো বুক পেতে মাটিকে রক্ষায়
তখন তুমি আস্তে আস্তে বুঝে গেলে, এ মাটি তোমার হবে না
এ মাটিতে দাড়াবার শক্ত পা তোমার নেই, নেই মনোবল।
তখন তোমার মোটা মাথায় একটা মোটা বুদ্ধির জন্ম দিলো
গ্রাম পুড়িয়ে, হত্যা, ধর্ষন, লুটপাট, নির্যাতন সব করেও
যখন বাঙ্গালির হৃদয় টলাতে পারছো না তাহলে কি করা যায়?
তোমার পূর্ব পূরুষের বিষাক্ত ফোটায় জন্ম নেয়া জারজদের
বুদ্ধিতে ও নীল নকশায় দেশের মেধাটাকে বিনাশ করার চিন্তা!
যেই ভাবা সেই কাজ, রাতের আধারে এ মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তান
শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, বেছে বেছে শ্রেষ্ঠ সন্তান
বুদ্ধিজীবীদের ধরে ধরে চালালে গুলি, হাত-পা বেঁধে
বেয়নেটের খোঁচায় খোঁচায় বিদীর্ণ করলে শ্রেষ্ঠ সন্তানের হৃদয়।
তোমরা যে চির আহাম্মকের জাতি, আবারো প্রমান করলে তা
হাজারো প্রদীপ জ্বালাতে একটা প্রদীপই যে যথেষ্ট
যাদের সাথে পেড়ে উঠোনি তারা আজ সৃষ্টি করেছে হাজারো
মেধাবী সন্তান, তাদের মেধার সাথে আজও পেরে ওঠোনা 
তোমরা পারো শুধু জঙ্গি, দুর্নীতিবাজ সৃষ্টি করতে
আজ দেখ, শিক্ষায়, ক্রিড়ায়, চিন্তায়, চেতনায় কতটা
এগিয়ে গেছি আমরা, কেবলই দৃঢ় মনোবল, শাণিত মেধার কারনে।

‌বিজয়

বিজয়ের মাসে চলো, বিজয়ের কথা বলি
বিজয়ের মাসে চলো, হাত ধরে পাশাপাশি চলি।

হিংসা, ঘৃনা ভুলে, হৃদয়ের দরজা খুলে
হানাহানি পাশে তুলে, ভালোবাসি ফুলে ফুলে
অন্যায়-অবিচার, করে দিয়ে ছারখার
দুর্নীতি করে যারা, ওদেরকে মার মার
শাসকের রূপে যারা, চুষে যায় রক্ত
তাদের বিরুদ্ধে এসো, করি মুঠো শক্ত
ঘুর আর ধর্ষনে, তফাৎ ভাষাগত
এদের হাতে নিপিড়ীত, হচ্ছে মানুষ কত
অন্যায়-অবিচার দেখে, মুখ যদি লুকালে
কচ্ছপের মত যদি, মুখটাকে ঢুকালে
ক্ষমা করবে না কভু, তোমাকে সমাজ
সে কথাটা তুমি, ভুলো নাকো আজ।

বিজয়টা কিন্তু, এমনিতে আসেনি
হাজারো লোক ছিলো, দেশ ভালোবাসেনি
লক্ষ মানুষ ছিলো, প্রাণের মায়া ছেড়ে
শত্রুর সামনে তারা, গিয়েছিলো তেড়ে
হাত ছিলো খালি, শক্ত মনোবল নিয়ে
মাটি রক্ষার শপথ নিয়ে, পড়েছে ঝাপিয়ে
রক্ত-ঘাম সেদিন, এক করেছিলো যারা
বিজয়ের দাবীদার, হবেই আজ তারা।

বিজয়ের মাসে চলো বিজয়ের কথা বলি
বিজয়ের মাসে চলো হাত ধরে পাশাপাশি চলি।

Tuesday, December 12, 2017

‌লেবাস

জাতিগত দাঙ্গা
করে যারা অন্ধ
মানবতার দ্বার হয়
তাদের জন্য বন্ধ।

মানুষে মানুষে ভেদ
সৃষ্টি করে যারা
দাঙ্গা হতে স্বার্থ
আদায় করে তারা।

ধর্মের লেবাসে
জানোয়ারের বাস
তাদের কারনে আজ
এত সর্বনাশ।

লেবাসের আড়া‌লে করে
বোমা গুলি বহন
হিংসার আগু‌নে করে
সমাজকে দহন।

ছবকের নামে শোনায়
শান্তির কথা
বুঝতে চায়না কভূ
মানুষের ব্যথা।

এদের হাত থেকে
থাকিস জুয়েল দুরে
গাইবি গান তুই
মানবতার সুরে।

Monday, December 11, 2017

তুইযে আমার

তুইযে আমার প্রাণের পাখি
তোকেই করি ডাকাডাকি
তোকে নিয়েই আঁকাআঁকি
তোকে ঘিরেই লেখালিখি
তুইযে আমার প্রাণের পাখি।

তোকেই ভাবি সকাল দুপুর
বাজছে যে ঐ পায়ের নুপুর
রিনি ঝিনি মাতাল সে সুর
ভালোবাসি তোর ঐ সুর
তোকেই ভাবি সকাল দুপুর।

তোকে ভেবে বাঁচবো আমি
তুই হলি সবচেয়ে দামী
হারালে থাকবোনা আমি
সে কথা জানে অন্তরজামী
তোকে ভেবেই বাঁচবো আমি।

তোকে ভেবে জগৎ চলে
যাসনে কভু কোন ছলে
যাস যদি তুই যাসরে বলে
আমার যাওয়ার সময় হলে
তোকে ভেবেই জগৎ চলে।

তুইযে আমার ভালোবাসা
তুই হলি মোর বাঁচার আশা
তোকে নিয়ে বাঁধবো বাসা
তোকে পাবো এটাই আশা
তুইযে আমার ভালোবাসা।

Wednesday, November 15, 2017

হৃদয় পোড়ার গল্প

আমার সাথে তোমার- দেখা হঠাৎ করে
ছেড়ে অন্যের ঘর- এসেছো আমার ঘরে
তোমার ছিলো অতীত- আমারও আছে স্মৃতি
নিজেদের প্রয়োজনে- হয়েছে মোদের প্রীতি
প্রথম প্রথম ফোনে- ভাইবার, ইমো লাইভে
থাকতে তুমি যেমন- আমি যেমন চাইযে
সকাল, বিকাল, রাতে- থাকতে তুমি সাথে
হাটতে তুমি সারাক্ষণ- হাতটি রেখে হাতে
মনটা যখন চাইতো- করতে দেখা তুমি
ঘাটতাম আমি হৃদয়- ভেবে নিজের ভূমি!
প্রথম প্রথম তোমার- আমার চাওয়া পাওয়া
ছিল শুধুই যেন- যৌবনেরই ধাওয়া
আস্তে আস্তে তুমি- আমার দিকে ঝুকলে
হৃদয়ে সিধ কেটে- পোক্ত করে ঢুকলে
আমিও এখন তোমায়- দেখছি অন্য চোখে
ভুগছি এখন আমি- তোমার প্রেমের রোগে
ভালোবাসি তোমায়- তুমিও বলো, ভালোবাসি
তখন, যখন তুমি- আসতে আমার কাছাকাছি
বলতে কত কথা- জড়িয়ে আমায় বুকে
দেখাতে শত স্বপ্ন- থাকবো মোরা সুখে
সারা জীবন দুজন- থাকবো পাশাপাশি
দুঃখ যতই আসুক- করবো হাসাহাসি
ছাড়লে কভু তোমায়- যাবোনা কারো কাছে
নেবোনা হৃদয়ে কাউকে- সে ক্ষমতা মোর আছে
কাটিয়ে দিবে জীবন- তুমি ছাড়া একা একা
করবো না আর কভু- কারো সাথে দেখা!

হঠাৎ করে তোমার- মনে কি যে হলো
আমায় ছাড়াই থাকো- কেমন করে বলো?
বাশের সাকো থেকে- উঠলে সেতুর উপর
হৃদয় ফুটো করে ঢুকলে- অন্য হৃদয়ের ভিতর
এক মূহুর্তে তুমি- ভুললে অতীত কথা
দিলে তুমি আমায়- গভীর ক্ষত, ব্যাথা
দোষ ছিলো কি আমার- বুঝতে দিলে নাযে
ভুলতে তো পারি না- ব্যস্ত থাকি যতই কাজে
সব কিছুকে ফেলে- আমি বেসেছি তোমায় ভালো
আধার আমায় দিয়ে- তুমি বেছে নিলে আলো
কয়লা পুড়ে গেলেও- উড়ে কিছু ছাই
আমার হৃদয় পোড়ে- দেখার কিছু নাই।

Tuesday, November 14, 2017

দুঃখ বিলাস

অভাব যখন দুয়াড়ে এসে দাড়ায়
ভালোবাসা নাকি জানালা দিয়ে পালায়!
ভালবাসা যখন জানালা দিয়ে পালায়
দুঃখ-ব্যথা মগজে ঢুকে জ্বালায়!

দুঃখ যখন মগজে করে বিচরন
নানান বিষয়ে ভাবনায় ডোবে মন!
সৃজনশী কিছু তখনই হয় সৃষ্টি
সেই ‘কিছু’ হয় মধুর মত মিষ্টি!

বিরহ-ব্যথার কবিতা কিংবা গান
শুনি যখন মিলাই প্রাণে প্রাণ
মাথা নাড়াই তারই তালে তালে
হৃদয় ক্ষরণ গানেরই অন্তরালে।

সুখ ও বিলাশ হাতের কাছে এলে
সব ভুলে যাই ভালোবাসা পেলে
ভালোবাসা-বিত্ত চলে গেলে
মর্ম বুঝি দুঃখ কাছে এলে।

ভালোবাসা-সুখের সময় কভু
তোমায় স্মরণ থাকে নাযে প্রভু!
চাইনা এমন সুখ ও ভালোবাসা
দু’টোই মনে হয় যে সর্বনাশা!

দুঃখ তাইতো দুখী করেনা
আমায়, করে রাজার রাজা
ভালোবাসা ও বিত্ত চাই না
চাইযে দুঃখেরই সাজা।